সংবাদ শিরোনামঃ
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর সব চেয়ে নৃশংস রাজনৈতিক ঘটনা: সেতুমন্ত্রী চকরিয়া প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন জাহেদ চৌধুরী সভাপতি, মিজবাউল হক সম্পাদক নিউইয়র্কে লাঞ্ছিত ইমরান এইচ সরকার (ভিডিও) ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশের সহযোগীতায় গড়েয়া গরুর হাটে জাল নোট সনাক্তকরণ বুথ দেবীগঞ্জে জাতীয় শোক দিবস পালিত এ দেশের মানুষকে কেউ দাস বানিয়ে রাখতে পারবে না: ড. কামাল বীরগঞ্জে এতিম ও ছিন্নমূল শতাধিক পথ শিশুদের  মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ বান্দরবানে ইয়াংছা-বনপুর সড়ক যেন মরণফাঁদ ! লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের শোক র‌্যালী ভ্যান চালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নামে জমি, এরপর…



বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে কেন ভ্যানিশ হয়ে যায় জাহাজ! রহস্য ভেদ বিজ্ঞানীদের!

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৬ আগস্ট, ২০১৮






পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় অঞ্চলগুলির একটি বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল। জাহাজ বা বিমান এই অঞ্চলে প্রবেশ করলেই অদৃশ্য হয়ে যায়

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল। নামটুকু উচ্চারণেই যেন তৈরি হয়ে যায় রহস্যের বাতাবরণ। আটলান্টিক মহাসাগরের প্রায় ৫ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই রহস্যঘন জায়গা নিয়ে তুলকালাম আজকের নয়। বছরের পর বছর ধরে পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় অঞ্চলগুলির একটি হয়ে রয়েছে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল। জাহাজ হোক বা বিমান এই অঞ্চলে প্রবেশ করলেই তারা হয়ে যায় অদৃশ্য!







কেন হয় এমন? এ বিষয়ে নানা মুনির নানা মত। তবে সব মতেই রয়েছে রোমাঞ্চের ছোঁয়া। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বহুদিন ধরেই বলে এসেছেন, এর পিছনে রয়েছে নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক কারণ। সম্প্রতি মার্কিন বিজ্ঞানীদের একটি দল দাবি করেছেন, তাঁরা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের রহস্য ভেদ করে ফেলেছেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘লাইভসায়েন্স’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, বিবিসি একটি তিন এপিসোডের ডকুমেন্টরি সিরিজ তৈরি করেছে। যার নাম ‘দ্য বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এনিগমা।’ সেই সিরিজেই পরিষ্কার করে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন কেমন করে এই অঞ্চলে এলেই হারিয়ে যায় জাহাজ বা বিমান। যদিও তাঁরা যা বলছেন, তা খুব নতুন কিছু নয়। সমুদ্রের ওই অঞ্চলে সৃষ্টি হওয়া এলোমেলো তরঙ্গের ফলেই হারিয়ে যায় সবাই— এই থিয়োরিকেও নতুন করে সিলমোহর দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।







ওই দলের অন্যতম সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিদ সিমন বক্সাল জানিয়েছেন, ‘‘এব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই ওই অঞ্চলে পাগলাটে ঢেউ আকছাড় দেখা যায়। যে কোনও দিকেই নজরে আসবে একাধিক ঝড় বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে একত্রিত হচ্ছে।’’

এই ধরনের পাগলাটে অতিকায় ঢেউকে ‘রাফ ওয়েভ’ বলা হয়। বহু লোককথা ও কিংবদন্তিতে তার উল্লেখ থাকলেও মাত্র কয়েক দশক হল এই ধরনের ঢেউয়ের অস্তিত্ব মেনে নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। একে বর্ণনা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা বলছেন ‘ওয়ালস অফ ওয়াটার’ বা জলের দেওয়াল। এই বর্ণনা থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় ঢেউগুলি ঠিক কতটা ব্যাপক ও বিশাল। এমন নয় এই ধরনের জলের দেওয়াল কেবল এই অঞ্চলেই মেলে। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রান্তে যেখানে দক্ষিণ অতলান্তিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ মহাসাগরের ঝোড়ো ঢেউ এসে মেশে সেখানে এমন অতিকায় ঢেউয়ের দেখা মেলে।







বিজ্ঞানীদের দাবি, এই ধরনের ঢেউ আচমকা দেখা দিলে তার ধাক্কায় জাহাজ প্রায় পাঁপড়ভাজার মতোই গুঁড়িয়ে যেতে পারে নিমেষে। ভিনগ্রহীদের চক্রান্ত বা চৌম্বক ক্ষেত্রের থিয়োরি নয়, এই মুহূর্তে বিজ্ঞানীরা সওয়াল করছেন এই তত্ত্বের হয়েই। পাশাপাশি রয়েছে ‘হিউম্যান এরর’। অর্থাৎ, বহু ক্ষেত্রেই পাইলট বা ক্যাপ্টেনরা এই অঞ্চলের আশপাশে এসেই দিক নিয়ন্ত্রণে ভুল করে ফেলেন। তাতেই ঘটে যায় বিপত্তি। একটি পরিসংখ্যান বলছে, এই অঞ্চলের ৮২ শতাংশ দুর্ঘটনার ক্ষেত্রেই রয়েছে যথাযথ প্রশিক্ষণের অভাব ও অনভিজ্ঞতা।







নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

ফেসবুকে আমরা …