উপবৃত্তির ন্যায় বিকাশ/রকেটে প্রতিবন্ধী ভাতা চাই-

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

মোঃ সালাহ উদ্দিন: আমাদের মত শারিরীক প্রতিবন্ধী মানুষদের ভাতা হাতে দেওয়ার ভোগান্তির কথার বলব, আমার বাস্তবতা থেকে বলব। যেই ভোগান্তির শিকার আমিও হচ্ছি প্রতি নিয়ত।

সরকারের প্রতি দৃষ্টিআকর্ষণ করছি

আমাদের দেশে সরকার প্রতিবন্ধী মানুষদের প্রতি মাসে ৭০০- টাকা করে “প্রতিবন্ধী ভাতা” প্রদান করে থাকে এই টাকা ৩ মাস বা ৬ মাস অন্তর একসাথে প্রদান করা হয়। আমিও প্রতিবন্ধী ভাতা পেয়ে পাই। আর এই টাকা টা দেয় সরকারের “কৃষি ব্যাংক” এর মাধ্যমে।

একজন প্রতিবন্ধী কে টাকা টা পেতে হলে তাকে স্ব-শরীরে ব্যাংকে উপস্থিত থাকা লাগবে। কেউ কি একবার ভেবে দেখেছেন? এটা একজন প্রতিবন্ধীর জন্য কতটা সমস্যার আর কষ্টের। এটা শুধু আমাদের মত প্রতিবন্ধীরাই ভালো জানে।

২০০/৩০০ টাকা গাড়ি ভাড়া দিয়ে ১ জন অথবা ২ জন কে সাথে নিয়ে যেতে হয় প্রতিবন্ধীদের, দুই তিন তলা উচুঁ ভবনে নিজে তো উঠতে পারিনা আমরা, অন্যজনকে দিয়েও অনেক কষ্টে উঠতে হয়। তারপরও ব্যাংকে গিয়ে কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে টাকা টা আমরা পাইনা। থাকে লম্বা লাইনের সিরিয়াল। একেকজন টাকা হাতে পাই ৪-৫ ঘন্টা অপেক্ষা করার পর। অবশ্য এর বেশি সময়ও লাগে।
আমাদের জন্য এই সমস্যটা যে কতটা জটিল কষ্টের বেদনার সেটা শুধু আমরাই জানি।

অথচ আমাদের দেশের স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের যে টাকা টা পায়। সরকার কিন্তু সেটা তাদের বিকাশ- রকেট- শিওর ক্যাশ এর মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছিয়ে দিচ্ছে। যতো কষ্ট শুধু আমাদের বেলাই।

আমি শুধু এটুকুই বলতে চাচ্ছি আমাদের টাকা পাবার সিস্টেম টাও বিকাশ-রকেট- বা অন্য কোন ভাবে দেয়া হোক। যেন আমরা ঘরে বসেই সহজেই যেন টাকা পেয়ে যাই। এতো কষ্ট করে নয়। তাই সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ করি। যেন আমাদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে সরকার ভাতা পাবার সিস্টেম টা সহজ করে দেন আমাদের জন্য।

লেখক: মোঃ সালাহ উদ্দিন (শারীরিক প্রতিবন্ধী)

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

ফেসবুকে আমরা …